Games

The Voice of Murarai

লালবিহারী সিংয়ের নেতৃত্বে বিয়াল্লিশের বোলপুর

বিয়াল্লিশের বোলপুর  - সোমনাথ চক্রবর্তী


১৯৪২ সালের ২৯শে আগস্ট মধ্যদিনে বোলপুরের মাটি কেঁপে উঠেছিল। না, ভূমিকম্পে নয়। কেঁপে উঠেছিল হাজার হাজার বুভুক্ষু মানুষের গর্জনে আর তিরধনুক-গোলাগুলির এক অসম লড়াইয়ের করুণ আর্তনাদে। স্কুল-কলেজে যে ইতিহাস পড়ানো হয় সেই কেতাদুরস্ত ভারত ইতিহাস এ ঘটনা মনে রাখেনি। সেদিন যাঁরা এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন তাঁদের কারোরই আজ পঁচাত্তর বছর পরে জীবিত থাকার কথাও নয়। ফলে, বোলপুরের সংগ্রামী ইতিহাসের একটি অধ্যায় জনমানস থেকে চিরবিলুপ্তির পথে। আশার কথা এই যে, কিছু নিষ্ঠাবান অতীত প্রেমী অক্লান্ত পরিশ্রম করে সেই দিনটি সম্পর্কে অনেক তথ্য জোগাড় করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। প্রফুল্লকুমার গুপ্ত, অমিয় ঘোষ, অরুণ চৌধুরি, আনন্দময় সেন, ভারতজ্যোতি রায়চৌধুরি, কল্যাণী সুর, দিনকর কৌশিক, রানি চন্দ, সুবোধ ঘোষ — এঁরা কেউই সেই অর্থে ঐতিহাসিক নন। কিন্তু সেই সময়কার পুলিশ ফাইল ঘেঁটে, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান সংগ্রহ করে, আরও নানা উপায়ে এঁরা খুঁটে খুঁটে সংগ্রহ করেছেন ’৪২ সালের ২৯শে আগস্ট সম্পর্কে তথ্যদানা। মূলত তাঁদের সংগৃহীত তথ্যাদির ওপর নির্ভর করে এই প্রবন্ধে বোলপুরের সেই দিনটির কথা কিছু বলা হবে।

স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন ছিল? বিশেষ করে বীরভূমে তথা বোলপুরে? সারা ভারত কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি ৮ই আগস্ট ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের ডাক দিলেও বীরভূমে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ১৩ই আগস্ট। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন জেলা কংগ্রেস সম্পাদক লালবিহারী সিং। জাজিগ্রাম-রাজগ্রাম-বোলপুর-কীর্ণাহার-খয়রাশোল নিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় তাঁর নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হয়। বোলপুরে এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন ধূর্জটিপ্রসাদ চক্রবর্তী, ভূপেন সেনগুপ্ত, হংসেশ্বর রায়, অমর সরকার প্রমুখ। ১৫ই আগস্ট দুবরাজপুরে কংগ্রেসকর্মীদের এক গোপন সভায় বীরভূমকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করা হয়। পরদিন দুবরাজপুরের এক প্রকাশ্য সভায় এই স্বাধীনতার ঘোষণা জনসমক্ষে নিয়ে আসা হয় বলে লালবিহারী সিং তাঁর ‘দেশসেবার পথে’ নামে বইতে জানিয়েছেন। সেই প্রকাশ্য সভা থেকে সারা জেলায় কর দেওয়া বন্ধ করবার এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করবার ডাক দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনা বোলপুরের ঘটনার মাত্র তেরো দিন আগে। সুতরাং দেশব্যাপী ব্রিটিশবিরোধী ঝড় ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বীরভূম তথা বোলপুরেও বড়সড় ঝড়ের পূর্বাভাস তখন থেকেই মিলতে শুরু করেছিল।

শান্তিনিকেতন তখন কী অবস্থায়? শান্তিনিকেতনে গান্ধীবাদী রাজনৈতিক আদর্শের একটা প্রভাব অনেক আগে থেকেই ছিল। স্বয়ং গান্ধী বেশ কয়েকবার আশ্রমে এসেছেন ও থেকেছেন। শেষ এসেছিলেন ১৯৪০ সালে, অর্থাৎ বোলপুরের ঘটনা ঘটবার মাত্র দুবছর আগে। আশ্রমের শিল্পগুরু নন্দলাল বসু তো গান্ধী-অনুরাগী ছিলেনই। গান্ধীর প্রত্যক্ষ সাহচর্যে এসে রানি চন্দ, কৃষ্ণ কৃপালনী, দিনকর কৌশিক — এঁরাও ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের দিকে ঝুঁকে পড়েছি‍লেন। দিনকর কৌশিক তাঁর ‘শান্তিনিকেতনের দিনগুলি’ বইতে জানাচ্ছেন, মাস্টারমশাই নন্দলাল বসুর উৎসাহে তাঁরা — অর্থাৎ রানি চন্দ, শক্তিরঞ্জন বসু, অধীর বন্দ্যোপাধ্যায়, নন্দিতা কৃপালনী, ভবানী সেন এবং আরও অনেকে — তখন ‘সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরই অপমান’ কিংবা ‘ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে আগুন জ্বালো’ জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত গাইতে গাইতে বোলপুরের আশপাশের গ্রামাঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁরা লালদহ প্রাইমারি স্কুলে ক্যাম্প করেছিলেন। সেখান থেকে ১৭ই আগস্ট ভোরবেলায় (মানে বোলপুরের ঘটনার বারো দিন আগে) পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে সিউড়ি জেলে নিয়ে যায়। দিনকর কৌশিকের স্মৃতিচারণ নির্ভুল হলে বলতে হয়, রানি চন্দ অন্তত ’৪২-এর ২৯শে আগস্ট বোলপুরের রাস্তায় আন্দোলনে অংশ নিতে পারেননি। অথচ সেদিনের ঘটনার অনেক বিবরণে রানি চন্দের নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে জানাই, গোয়েন্দাদপ্তরের ফাইল বলছে যে, রানি চন্দ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন লালদহ থেকে নয়, পারুলডাঙা থেকে। এবং ১৭ই আগস্ট নয়, ৭ই সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ, বোলপুরের ঘটনা ঘটে যাওয়ার অন্তত এক সপ্তাহ পরে। আর লালদহ থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বোলপুরের কংগ্রেস নেতা নিশাপতি মাঝি এবং শান্তিনিকেতনের অধীর বন্দ্যোপাধ্যায়। তারিখটা রানি চন্দের গ্রেপ্তারের আরও দুদিন পর — ৯ই সেপ্টেম্বর। গোয়েন্দাদপ্তরের রিপোর্ট সঠিক হলে ’৪২-এর ২৯শে আগস্ট বোলপুরের রাস্তায় ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে রানি চন্দের অংশগ্রহণ নিয়ে খুব একটা সংশয় থাকে না।

আরও একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য: বোলপুরের ঘটনা ঘটবার এগারো দিন আগে ১৮ই আগস্ট তৎকালীন জেলা কংগ্রেস সম্পাদক লালবিহারী সিংয়ের নেতৃত্বে একটি মিছিল শান্তিনিকেতনে এসে উপস্থিত হয়। কংগ্রেসী নেতাদের উদ্দেশ্য ছিল শান্তিনিকেতনের সকলকে ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে শামিল করা। কিন্তু লালবিহারী সিং তাঁর স্মৃতিকথা ‘দেশসেবার পথে’ বইতে যা বলেছেন তার থেকে মনে হয়, শান্তিনিকেতনের ছাত্রছাত্রীরা সেদিন আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে যথেষ্ট উৎসাহ দেখায়নি। সম্ভবত প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে তাদের তখনও দ্বিধা ছিল। অথচ রানি চন্দ, নন্দিতা কৃপালনীরা তো সেই সময়কালেই ছাত্রছাত্রীদের একাংশকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামে গ্রামে আন্দোলনের প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন।

যাই হোক, ২৯শে আগস্ট বোলপুরে যা ঘ‍‌টেছিল তাতে সাংগঠনিকভাবে সবচেয়ে বড় অবদান ‘আমার কুটির’-এর। বোলপুর সংলগ্ন বল্লভপুরের কাছে ‘আমার কুটির’ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে ১৯২৬ সালে বিপ্লবীমন্ত্রে দীক্ষিত সুষেণ মুখার্জির হাতে। ১৯৩৮ সালে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তিনি দেশের সেবায় নিযুক্ত সব বিপ্লবীকে ‘আমার কুটির’ সংগঠনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বেশ কিছু প্রাক্তন রাজনৈতিক বন্দি এবং রাজনৈতিক কর্মী ‘আমার কুটির’-এ এসে হাজির হন। এঁদের মধ্যে নানা রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ ছিলেন। ’৪২-এর ২৯শে আগস্ট বোলপুর শহর গণঅসন্তোষের যে উত্তাল রূপ প্রত্যক্ষ করেছিল তার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অনেকদিন ধরেই ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল। এই প্রেক্ষাপট গড়ে ওঠবার মূলে প্রধানত দুটি রাজনৈতিক ধারা। একটি, গান্ধীবাদী আদর্শে পরিপুষ্ট বোলপুর-শান্তিনিকেতনের কংগ্রেসী ঐতিহ্য। অপরটি, ‘আমার কুটির’-এর কমিউনিস্ট লিগপন্থী সদস্যদের হাতে গড়ে ওঠা কৃষক আন্দোলন। তৃতীয় একটি ধারাও অবশ্য ছিল। সেটি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির জেলাজোড়া শ্রমিক-কৃষক আন্দোলন সংগঠিত করবার প্রয়াস। ’৪২-এর ২৯শে আগস্ট পরিস্থিতির চাপে তিনটি ধারাই মিলেমিশে একাকার হয়েগিয়েছিল।

এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে একটা অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটও যুক্ত হয়েছিল। সেটা সেই সময়কার বীরভূমে অঘোষিত দুর্ভিক্ষ। ’৪০ এবং ’৪১ সালে পরপর অনাবৃষ্টির কারণে বীরভূমে চূড়ান্ত খাদ্যাভাব দেখা দেয়। মজুতদার, খাদ্যশস্যের আড়তদার, জমিদার-জোতদার আর মিল মালিকরা এই খাদ্যাভাবের পূর্ণ সুযোগ নিতে শুরু করেছিল। বোলপুরে তখন চালকলের সংখ্যা ১৬টি। অথচ বাজারে চাল নেই। যেটুকু পাওয়া যায় তারও আকাশছোঁয়া দাম। বোলপুরে উৎপাদিত চালের প্রায় সবটাই তখন চলে যাচ্ছে কলকাতায়, মিলিটারির রসদ হিসাবে। আর এই রসদ পাঠানোর মূলকেন্দ্র ছিল বোলপুর স্টেশন। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির কর্মীরা এইভাবে খাদ্যশস্য চালান দেওয়ার বিরুদ্ধে বোলপুরে এবং সন্নিহিত গ্রামগুলিতে প্রচার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তীব্র অসন্তোষ ধূমায়িত হচ্ছিল বোলপুরে এবং আশপাশের গ্রামাঞ্চলে। ২৯শে আগস্ট সেই অসন্তোষ ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের রূপ ধরে ফেটে পড়লো বোলপুরের পথে-প্রান্তরে।

ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন? ২৩শে আগস্ট থেকে বীরভূম ষড়যন্ত্র মামলায় (১৯৩৫) অন্যতম অভিযুক্ত ও প্রাক্তন বিপ্লবী ধরণী রায় (তখনও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ পাননি) বেশ কিছু কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বোলপুর স্টেশনে অবস্থান করছিলেন। তাঁদের প্রতিবাদ ছিল বোলপুর স্টেশন থেকে খাদ্য চালানের বিরুদ্ধে। ২৮শে আগস্ট বোলপুর থেকে সামান্য কিছু দূরে মল্লারপুর ও রামপুরহাট স্টেশনের মাঝখানে রেল লাইনের ফিশপ্লেট খুলে নেওয়া হয়, টেলিগ্রাফের তারও কেটে দেওয়া হয়। একটি রেল ইঞ্জিন ওখানে লাইনচ্যুত হয়েছিল সেদিন। পরের দিন ২৯শে আগস্ট বোলপুরে হরতালের ডাক দেওয়া হয়। অরুণ চৌধুরি তাঁর ‘আদিবাসী জীবন ও সংগ্রাম’ বইতে জানিয়েছেন, কংগ্রেস, সমাজতন্ত্রী কংগ্রেস, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি এবং কমিউনিস্ট লিগ ঐক্যবদ্ধভাবে ঐ হরতালের ডাক দিয়েছিল।

২৯শে আগস্ট সকাল থেকে বোলপুর শহরে মিছিলের পর মিছিল আসতে থাকে। অরুণ চৌধুরির সাক্ষ্য অনুযায়ী, শান্তিনিকেতনের কলাভবনে ও অন্যান্য ভবনের ছাত্রছাত্রী-অধ্যাপকগণও মিছিলে শামিল হয়েছিলেন। শিল্পী বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায় মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। রানি চন্দ ছিলেন। ছিলেন কৃষ্ণ কৃপালনীও। তবে বোলপুরের সেইদিনের জনজোয়ারের সিংহভাগই ছিল সুরুল, বিষ্ণুখণ্ডা, কসবা, বাহিরী, হাটসেরান্দি, মহিষডাল, সিয়ান, মুলুক — এসব কাছাকাছি গ্রাম থেকে। ভারতজ্যোতি রায়চৌধুরি তাঁর ‘সাতচল্লিশ থেকে সত্তর এবং আগে পরে’ বইটির প্রথম পর্বে জানিয়েছেন, ইলামবাজারের কাছে অজয় পেরিয়েও মানুষ এসেছিলেন কাতারে কাতারে। দুপুরের দিকে ‘আমার কুটিরের’ তৎকালীন সম্পাদক ও কমিউনিস্ট লিগের কৃষকসভার নেতা মনোরঞ্জন দত্তের নেতৃত্বে বেশ কয়েক হাজার সাঁওতাল জনজাতির মানুষজন এসে হাজির হন বোলপুর স্টেশনে। রামপদ দত্ত, চণ্ডী সরকার — ‘আমার কুটিরের’ এসব কর্মীও সঙ্গে ছিলেন। স্টেশনে মিলিটারির জন্যে মজুত চালের পরিমাণ দেখে বুভুক্ষু মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয় ভাঙচুর। জনতা প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ওয়াগন থেকে চালের বস্তা নামিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বোলপুর স্টেশনের কর্মচারীরা তখন উপায়ন্তর না দেখে বর্ধমানে ফোন করেন। অনতিবিলম্বে বর্ধমান স্টেশন থেকে (মতান্তরে গুসকরা স্টেশন থেকে) গোরা সৈন্য বোঝাই স্পেশাল ট্রেন বোলপুর স্টেশনে এসে উপস্থিত হয়। ট্রেন থেকে নেমেই তারা গুলি চালায়। উত্তেজিত জনতাও তখন ইট-পাথর ছুঁড়তে শুরু করে। সাঁওতালরা তির-ধনুক নিয়ে এসেছিলেন। তাঁরাও তির ছোঁড়ে। শেষ পর্যন্ত মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। 

১৯৪২-এর ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অপরাধে বীরভূম জেলার মোট ১০০ জন দণ্ডিত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে বোলপুর ও শান্তিনিকেতন থেকে এঁরা : অনিল চক্রবর্তী, অশ্বিনীকুমার চ্যাটার্জি, অধীর ব্যানার্জি, অমলেশ চৌধুরি, বিশ্বনাথ রাও, বালেশ্বর ভকত, ভূপেন্দ্রনারায়ণ সেন, চেরকা মাঝি, ধূর্জটিপ্রসাদ চক্রবর্তী, এলা দত্ত (শান্তিনিকেতন), যতীন্দ্রনাথ সিংহ, জটা সরেন, মমতা রাও, নিশাপতি মাঝি, রানি চন্দ (শান্তিনিকেতন), শান্তিকুমার চ্যাটার্জি, সীতারাম শর্মা, সুধীরকুমার মণ্ডল, সুকুমার রায়, সুহাস দে, শান্তি দাশগুপ্ত (শান্তিনিকেতন) ও শান্তিকুমার সরকার (শান্তিনিকেতন)।

’৪২-এর ২৯শে আগস্টের স্মৃতি বোলপুরবাসীকে প্রাণিত করতে থাকুক।

তথ্যসূত্র :

(১) অমিয় ঘোষ। ‘জাতীয় আন্দোলন ও জেলা বীরভূম (১৯১৫-১৯৪৭)’। বোলপুর, গ্রন্থনীড়, ২০০০। (২) ভারতজ্যোতি রায়চৌধুরি। ‘সাতচল্লিশ থেকে সত্তর এবং আগে পরে (প্রথম পর্ব)’। কলকাতা, মুক্তমন, ২০০৮। (৩) নির্মলকুমার বসু। ‘বিয়াল্লিশের বাংলা’। কলকাতা, কারিগর, ২০১২। (৪) প্রফুল্লকুমার গুপ্ত। ‘আমার কুটিরের কথা।’ শ্রীনিকেতন, আমার কুটির সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট, ২০০৭ (৫) অরুণ চৌধুরি। ‘আদিবাসী জীবন ও সংগ্রাম।’ কলকাতা, গাঙচিল, ২০১৩। (৬) অরুণ চৌধুরি। ‘বীরভূম জেলার কমিউনিস্ট আন্দোলন — গঠন ও ব্যক্তিত্ব।’ কলকাতা, ন্যাশনাল বুক এজেন্সি প্রাঃ লিঃ, ২০১৪ (৭) দিনকর কৌশিক। ‘শান্তিনিকেতনের দিনগুলি।’ কলকাতা, পত্রলেখা, ২০০৯।

Post a Comment

0 Comments