মুন্সি মহম্মদ নুরাইন
নুরাইনের আব্বা গামাল মুন্সি বলেন, “ছেলের বাঁ হাতের প্রতিবন্ধকতার জন্য আধারকার্ড হচ্ছে না। অথচ ছেলে যে স্কুলে পড়ে, সেই স্কুল কর্তৃপক্ষ আধার কার্ড চেয়েছে। ক্লাস টু কোনও রকমে পার হলেও, থ্রিতে আধার কার্ড লাগবেই বলে জানিয়েছে। এছাড়াও, বিভিন্ন জরুরি কাজে আধার কার্ড লাগে। তাই দুশ্চিন্তায় আছি।”
২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে উনুনের পাশে খেলার সময় জ্বলন্ত আগুনে পড়ে যায় আড়াই বছরের নুরাইন। বাঁ হাতের আঙুল হাতের অনেকটা পুড়ে যায়। বহরমপুর ও বর্ধমানে চিকিৎসা করিয়ে লাভ হয়নি। শেষে বেঙ্গালুরুতে প্লাস্টিক সার্জারি করানো হয়। বর্তমানে মধ্যমা ছাড়া কোনও আঙুলে নখ নেই নুরাইনের। তর্জনী বেঁকে আছে। চিকিৎসকরা আরেকবার সার্জারির কথা বলেছেন। পঁয়তাল্লিশ শতাংশ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বালক হিসেবে রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতালে তার নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নুরাইনের ব্যাপারে আশার কথা শুনিয়েছেন মহকুমাশাসক সুপ্রিয় দাস। তিনি বলেন, “নুরাইনের অভিভাবকরা BDO অফিসে এসে বিষয়টি জানালে তাঁদের সমস্যা মেটানো হবে।”
Source of News
Source of News


0 Comments