মহামায়ার বাগানের মালী

নাম নজির হোসেন। রাজগ্রামের মহামায়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বাগানের মালী। 2000 সাল থেকে স্কুলের চাকরিতে জয়েন করার কয়েক বছরের মধ্যেই হেড মাষ্টার শংকর প্রসাদ ব্যানার্জি কে কনভিন্স করে মূল অফিস কক্ষের সামনে মাঝখানে রাস্তা রেখে দুদিকে প্রায় বর্গাকার গ্রীল রেলিঙ ঘেরা অসাধারণ দৃষ্টিনন্দন বাগানের স্রষ্টা তিনি।

প্রধান শিক্ষকের উদ্ভাবনী ভাবনা কে কার্যত রূপায়ণের কারিগর নজির হোসেন।
শীতকালে গাঁদা টগর মৌসান্ডা ডালিয়া চন্দ্র মল্লিকা এবং নানান পাতাবাহারে সেজে ওঠে স্কুলের বাগান। নিত্য জল দেওয়া আগাছা পরিষ্কার করা সপ্তাহ অন্তর বাগানের বেড়ে ওঠা ঘাস নিয়ম করে কাটারি দিয়ে নিপুন যত্নে ছাঁটাই করা এসব ছাড়াও গভীর মমতায় প্রতিটি গাছের খোঁজ খবর নেওয়া - সব কাজে এই মালীর আগ্রহের সীমা নেই। এর উপর আছে দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাসের ক্লাস, আছে ফাইভের ক্লাস। এখানে ইতিহাস বাংলা ভূগোল বিজ্ঞান সব বিষয়ে তিনি সব্যসাচী।
আছে বিদ্যালয়ের সংস্কৃতি চর্চার ঝক্কি। নাচ গান নাটকে ছাত্র ছাত্রীদের অবলম্বন ঐ মালীই।
এই মালী বাগানের মাটি খোঁড়া বা ফুল গাছ চর্চার জন্য কোনো সরকারি পারিশ্রমিক পাননা। এই পোষ্ট সরকার অনুমোদিত করেননি।
আসলে এই ফুল বাগানের মালী বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের ইতিহাসের শিক্ষক।
ইদানিং অদ্ভুত সুন্দর উৎসাহে কবিতা লেখা শুরু করেছেন। অনলাইনের বিভিন্ন গ্রুপে কবিতার বৃষ্টি ঝরিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছেন পুরস্কারের পর পুরস্কার।
নজির হোসেন। এই অনিন্দ্য সুন্দর শিক্ষকের জন্য মহামায়া গর্বিত।
কয়েস বিন আমর
নৈবেদ্য ।রাজগ্রাম ।বীরভূম
7ই ফেব্রুয়ারি 2018
নৈবেদ্য ।রাজগ্রাম ।বীরভূম
7ই ফেব্রুয়ারি 2018


0 Comments