এক রেশন ডিলারের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বীরভূমের রাজগ্রামের পূর্ব বাজারে। মৃতের নাম চন্দন ব্যার্নাজী(৩৫)। চন্দনের পরিবারের তরফে জানা গেছে, বুধবার চন্দন ও তার তিন বন্ধু রবি খান, চঞ্চল খান ও টনি খান একটি চারচাকা গাড়ি নিয়ে বাইরে যায়। মৃত চন্দনের কাকা শংকর প্রসাদ ব্যার্নাজী জানান, রাত এগারোটার পর আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। রাত ১২ টার পর তার বন্ধুরা জানায় অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে চন্দনের মৃত্যু হয়েছে। একটি এ্যম্বুলেন্সে করে দেহ আনে তারা। চন্দনের দেহ তার পরিবার মুরারই থানা থেকে পায়। শংকরবাবু বলেন, আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এটা অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং একাধিক রহস্য চিহ্ন রয়েছে। তার বন্ধুরা সব সময় সঠিক কথা বলছে না। এটা দূর্ঘটনায় মৃত্যু না খুন পরিষ্কার করে বলতে পারেননি শংকর বাবু। তবে মুখে আঘাতের, পায়ে কাটা চিহ্ন দেখা যায়। এদিকে মৃত চন্দনের এক বন্ধুর ফোন নাম্বার দিলে, সেই নাম্বারে ফোন করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা যায়নি। চন্দনের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন হোক বলে দাবি স্হানীয়দের। চন্দনের মৃত্যু প্রসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছেন, চন্দনরা চারচাকা গাড়ি নিয়ে বাইরে যায়। ওর বন্ধুরা দূর্ঘটনার কথা বলছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খন্ডে। স্বাস্হ্য কেন্দ্রের ডাক্তার পুলিশকে লিখিত নোটে জানিয়েছেন, মুরারই স্বাস্হ্য কেন্দ্রে ভর্তি করার আগেই চন্দনের মৃত্যু হয়। ডাক্তারের দেওয়া নোট ও পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমেছে। মৃত চন্দনের রেশন ডিলার রয়েছে। বছর পনেরো আগে তার বিয়ে হয়, একটি ১০ বছরের কন্যা ও আড়াই বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এই অস্বাভাবিক ও অকাল মৃত্যুতে গোটা রাজগ্রাম শোকস্তব্ধ।


0 Comments