শুনুন এক নিত্যযাত্রীর বক্তব্য
সাহেবগঞ্জে রেললাইনে কাজ চলায় এমনিতেই বর্ধমান-সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনে তিনটি ট্রেন বাতিল। ফলে হাওড়া থেকে সন্ধেয় মুরারই পৌঁছানোর কোনও ট্রেন নেই। তাই রামপুরহাটে কর্মরত বেশ কিছু মানুষ কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার কোনও ট্রেন পাচ্ছিলেন না। এই অবস্থায় এলাকার মানুষের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে বালুরঘাট এক্সপ্রেসের স্টপেজ দিয়ে আসছিল রেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, গতকাল হঠাৎ করে স্টপেজ তুলে নেয়। ফলে প্রায় ২০০ জন যাত্রীকে নামতে হয় বিহারের পাকুড়ে। ঠান্ডায় সারারাত স্টেশনে কাটিয়ে ডাউন বারহাওড়া ট্রেনে করে আজ সকালে তাঁরা মুরারই পৌঁছান। এরপরই শুরু হয় অবরোধ। তাঁদের সঙ্গে অবরোধে সামিল হন স্থানীয় এলাকার মানুষও।
আন্দোলনকারীদের দাবি, মুরারই স্টেশনে বালুরঘাট এক্সপ্রেসের স্থায়ী স্টপেজ দিতে হবে। একঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধ চলার পর স্টেশন ম্যানেজার উত্তম চট্টোপাধ্যায় আশ্বাস দেন যতদিন লুপ লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক না হচ্ছে ততদিন বালুরঘাট এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা কিশোর পিপাড়া বলেন, “এমনিতেই মুরারই স্টেশনে সব ট্রেন থামে না। তারপর এখন তিনটি ট্রেন বাতিল। ফলে এলাকার ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আমাদের দাবি, এখানে বালুরঘাট এক্সপ্রেসের স্থায়ী স্টপেজের ব্যবস্থা করতে হবে।”


0 Comments