এ যেন এক ভূতুড়ে গ্রাম। একবার ঘুমিয়ে পড়লে, সেই ঘুম ভাঙে ছ’দিন পরে। অথচ চারবছর আগেও এমনটা ছিল না। বরং স্বাভাবিকই ছিল কাজাখস্তানের এই কালাচি গ্রামের জনজীবন। কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানা থেকে ৩০০ মাইল দূরের এই গ্রামে ঘুমের এই ভূতুড়ে ঘটনার কথা জানা যায় ২০১৩ সাল থেকে। যে ছ’দিন এই গ্রামের বাসিন্দারা ঘুমোন, সেই ছ’দিনে ক্ষুধা, তৃষ্ণা বা অন্য কোনও জৈবিক চাহিদাও পূরণ করেন না তাঁরা। ঘুম ভাঙার পরে নাকি তাঁদের কিছুই মনে থাকে না। তবে গ্রামের সবাই যে ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন এমনটা নয়। মূলত শিশুরাই এই ঘুমের কবলে পড়েন। বাদ যান না কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্কও।
গ্রামে থাকেন ৬৮০জন বাসিন্দা। তারমধ্যে এই বিচিত্র ঘুমের কবলে পড়েছেন ১৪১ জন। ঘুম থেকে ওঠার পরে এঁরা মাথা ব্যথা, গা বমিভাব ও দৃষ্টিবিভ্রমেরও শিকার হন। যেমন বাসিন্দা ভেরা কোলেসনিচেনকো বলেছেন, ‘আমার মেয়ে ছ’দিন ঘুমিয়ে উঠে আমাকে প্রশ্ন করেছিল, মা তোমার তিনটে চোখ কেন?’ কিন্তু কেন এমন হচ্ছে?’ ভয়ের চোটে গ্রাম থেকে মেয়েকে নিয়ে পালান ভেরা। গ্রামের কাছেই একটি ইউরেনিয়ামের খনি আছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন ওই খনির থেকে তেজস্ক্রিয়তার কারণেই এমনটা ঘটছে।
গ্রামে থাকেন ৬৮০জন বাসিন্দা। তারমধ্যে এই বিচিত্র ঘুমের কবলে পড়েছেন ১৪১ জন। ঘুম থেকে ওঠার পরে এঁরা মাথা ব্যথা, গা বমিভাব ও দৃষ্টিবিভ্রমেরও শিকার হন। যেমন বাসিন্দা ভেরা কোলেসনিচেনকো বলেছেন, ‘আমার মেয়ে ছ’দিন ঘুমিয়ে উঠে আমাকে প্রশ্ন করেছিল, মা তোমার তিনটে চোখ কেন?’ কিন্তু কেন এমন হচ্ছে?’ ভয়ের চোটে গ্রাম থেকে মেয়েকে নিয়ে পালান ভেরা। গ্রামের কাছেই একটি ইউরেনিয়ামের খনি আছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন ওই খনির থেকে তেজস্ক্রিয়তার কারণেই এমনটা ঘটছে।


0 Comments